বাংলাদেশে অনলাইন গেমিংয়ের চেহারা পরিবর্তন করার স্বপ্ন নিয়েই jeeeta-র জন্ম। আমরা জানতাম বাংলাদেশের মানুষ চতুর, প্রযুক্তিমনা এবং বিনোদনের প্রতি আগ্রহী — কিন্তু তাদের জন্য উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম ছিল না। যেগুলো ছিল সেগুলো ইংরেজিতে, বিদেশি পেমেন্ট মেথডে এবং বিদেশি কোম্পানির সার্ভার থেকে পরিচালিত।
বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলাদেশের মানুষের দ্বারা
jeeeta-র পুরো পরিকাঠামো বাংলাদেশের বাস্তবতা মাথায় রেখে তৈরি। ইন্টারনেট স্পিড কম থাকলেও গেম লোড হবে, গ্রামের মানুষও বিকাশে সহজে টাকা দিতে পারবেন, রাত ৩টায় সমস্যা হলেও বাংলায় সাহায্য পাওয়া যাবে — এই তিনটা বিষয় নিশ্চিত করতে আমরা অনেক সময় ও বিনিয়োগ করেছি।
আমাদের সার্ভার এশিয়ায় হওয়ায় বাংলাদেশ থেকে কানেকশন সময় অনেক কম। গেম লোডিং থেকে লাইভ বেটিং — সব ক্ষেত্রেই এটা পার্থক্য তৈরি করে।
খেলোয়াড়দের সুরক্ষায় আমাদের প্রতিশ্রুতি
jeeeta-তে সব খেলোয়াড়ের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা আছে। ২১ বছরের নিচে কেউ অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন না। KYC যাচাইয়ের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। যদি কেউ নিজে সীমা নির্ধারণ করতে চান — দৈনিক ডিপোজিট সীমা, সেশন সীমা বা সম্পূর্ণ বিরতি — সেই অপশনগুলো প্রোফাইলে সহজেই পাওয়া যায়।
আমরা বিশ্বাস করি, দায়িত্বশীল গেমিং মানে শুধু নিয়ম মানা নয় — এটা হলো খেলোয়াড়ের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলার চেষ্টা। jeeeta-র দায়িত্বশীল খেলা পেজে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাবেন।
ভবিষ্যতে jeeeta কোথায় যাচ্ছে?
আমরা থামিনি, থামব না। আগামী দিনে jeeeta-তে আরও বেশি বাংলাদেশ-কেন্দ্রিক ফিচার আসবে। ই-স্পোর্টস বেটিং, ফ্যান্টাসি স্পোর্টস, আরও উন্নত মোবাইল অ্যাপ — সব কিছু পরিকল্পনায় আছে। আমাদের লক্ষ্য হলো পরবর্তী ৫ বছরে jeeeta-কে দক্ষিণ এশিয়ার সেরা বাংলা গেমিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত করা।
সবচেয়ে বড় কথা — আমরা আমাদের সদস্যদের কথা শুনি। প্রতিটি ফিডব্যাক, প্রতিটি অভিযোগ আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি কোনো পরামর্শ দিতে চান বা সমস্যায় পড়েন, সাহায্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন — আমরা সবসময় আপনার পাশে আছি।